রাবার স্পীড ব্রেকার সম্পর্কে চমকপ্রদ কিছু তথ্য জেনে নিন এখনই

Category:
  • লোড ক্যাপাসিটিঃ রাবার স্পীড ব্রেকার এর লোড ক্যাপাসিটি ২০ টন থেকে ৪০ টন হয়ে থাকে যা ট্রাক, বাস, কার, মোটরসাইকেলসহ বাংলাদেশে চলাচল করে এমন ছোট বড় প্রায় সকল ধরণের গাড়ির জন্য প্রযোজ্য।
  • ম্যাটেরিয়ালঃ রাবার স্পীড ব্রেকার সাধারণত দুই ধরণের ম্যাটেরিয়াল দিয়ে তৈরি করা হয়ে থাকে। একটি হল হাই কোয়ালিটি সিনথেটিক রাবার এবং অন্যটি হল হাই কোয়ালিটি ইঞ্জিনিয়ারিং প্লাস্টিক, এই দুই ধরণের ম্যাটেরিয়ালই খুবই উন্নতমানের কাঁচামালের সাহায্যে তৈরি করা হয়, যার ফলে এই স্পীড ব্রেকারটি ওজনে অনেক হালকা, বেশি শক্তিশালীও হয়ে থাকে এবং এর স্থায়িত্ব অনেক বেশি হয়। উন্নত প্রযুক্তির সাহায্যে বিশেষ কাঁচামালের মাধ্যমে এই স্পীড ব্রেকার তৈরি করা হয়ে থাকে।
  • সুস্পষ্ট ও টেকসই কালারঃ রাস্তায় থাকা সাধারণ স্পীড ব্রেকার সাধারণত কালো বা সাদা রঙ এর হয়ে থাকে। ড্রাইভার গাড়ি চালানো অবস্থায় রাস্তায় থাকা স্পীড ব্রেকার দেখতে না পারার কারনের অনেক সময় গাড়ি দূর্ঘটনার কবলে পড়ে। এই সমস্যা সমাধানের বিষয়টি মাথায় রেখে উন্নতমানের স্পীড ব্রেকারে হলুদ এবং কালো এই দুইটি কালার ব্যবহার করা হয়েছে, যা দূর থেকেও খুবই আই কেচি হয়ে থাকে যার ফলে ড্রাইভার খুব সহজেই গাড়ি থেকে এই এই স্পীড ব্রেকার দেখতে পারে এবং সময়মত গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।  রোদ, বৃষ্টি, পানি, কুয়াশা এই স্পীড ব্রেকারের কালারের কোন ক্ষতি করতে পারেনা।
  • ব্যবহারের ক্ষেত্রঃ যে কোন ধরণের পাকা রাস্তায় এই রাবার স্পীড ব্রেকার ব্যবহার করা যায় খুব সহজেই। যদি খুব নির্দিষ্ট করে বলি তাহলে, যে সকল গাড়ি চলাচলের যায়গায় গাড়ি চলাচলের স্পীড বা গতি কমানো প্রয়োজন সে সকল যায়গায় ব্যবহার করতে পারেন এই রাবার স্পীড ব্রেকার। মানে আপনার পার্কিং থেকে শুরু করে হাইওয়ে রাস্তা পর্যন্ত যে কোন রাস্তায় এই স্পীড ব্রেকার ব্যবহার করতে পারেন।
  • ফেটে যাওয়ার সম্ভাবনাঃ গাড়ি চলাচলের উপর নির্ভর করে এই ধরণের স্পীড ব্রেকার সাধারণত ১০-২০ বছরের মধ্যে ফাটে না বা নষ্ট হয়ে যায় না। হাই কোয়ালিটি সিনথেটিক রাবার বা ইঞ্জিনিয়ারিং প্লাস্টিক ব্যবহার করার জন্য রাবার স্পীড হাম্পস বা ব্রেকার অনেক বেশি শক্তিশালী এবং টেকসই হয়ে থাকে, তাই এই প্রোডাক্টের ফেটে যাওয়া বা নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। তবে হ্যা, লোড ক্যাপাসিটির চাইতে যদি বেশী পরিমান ওজনের গাড়ি চলাচল করে তবে ধীরে ধীরে এটা নস্ট হতে শুরু করবে।
  • প্রোডাক্ট অরিজিনঃ বাংলাদেশ সহ সমগ্র বিশ্বে এই ধরণের স্পীড ব্রেকারের চাহিদা থাকার কারণে প্রযুক্তিতে এগিয়ে থাকা দেশ চীনসহ আরো অন্যান্য দেশ এই এই প্রডাক্টিটি তৈরি করে থাকে। এই স্পীড ব্রেকারটি আমরা আমাদের চাহিদামত মানের অর্ডার করে চীন দেশ থেকে তৈরি করে ইমপোর্ট করে বাংলাদেশে এনে থাকি। যা চীনের একটি স্বনামধন্য ফ্যাক্টরিতে তৈরি করা হয়েছে।
  • প্রোডাক্ট কোয়ালিটিঃ উন্নতমানের কাঁচামাল এবং টেকনোলোজি ব্যবহারে করে তৈরি করা এই রাবার স্পীড ব্রেকার নিঃসন্দেহে হাই কোয়ালিটি প্রোডাক্ট, আপনি একবার ব্যবহার করেই যার প্রমান পাবেন। আমাদের এই বিশেষ স্পীড ব্রেকার গাড়ির পার্কিং থেকে শুরু করে অনেক হাইওয়ে রাস্তায়ও ব্যবহার করা হয়েছে, যা বছরের পর বছর সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছে কোন ধরণের ত্রুটি ছাড়াই।
  • ইনস্টল পদ্ধতিঃ রাবারের তৈরি এই স্পীড ব্রেকারের ইনস্টল বা স্থাপন পদ্ধতি অত্যন্ত সহজ এবং ঝামেলা মুক্ত। সংক্ষেপে বলতে গেলে রাস্তায় রাবারের স্পীড ব্রেকারগুলো সোজা করে বসিয়ে নিয়ে ব্রেকারের ছিদ্রর বরাবর রাস্তা ডিল করতে হবে এবং ড্রিল করার পর এর মধ্যে বোল্ট লাগিয়ে দিতে হবে হাতুড়ি দিয়ে। এভাবেই রাবারের স্পীড হাম্পস বা ব্রেকার ইনস্টল করা হয়ে থাকে এবং এই কাজটি খুবই কম সময়ে করা সম্ভব।
  • সৌন্দর্য বর্ধনঃ এই রাবার স্পীড ব্রেকার ব্যবহার করে গাড়ির গতি কমিয়ে নিরাপত্তার পাশাপাশি আপনি পাবেন আধুনিকতার ছোঁয়া, পরিবেশ হবে সুন্দর এবং ফুটে উঠবে আপনার ব্যাক্তিত্ব।

    প্রোডাক্ট এর ফিচারগুলো দেখা নেওয়া যাকঃ

লোড কেপাসিটি•২০-৪০+ টন
•কালার •হলুদ ও কালো
•মেটেরিয়াল •সিনথেটিক রাবার / ইঞ্জিনিয়ারিং প্লাস্টিক
•অন্যান্য মালামাল •ফিক্সট বোল্ট
•মেইড ইন •চায়না
•কোয়ালিটি •হাই
•ওয়েদার প্রুফ•হ্যাঁ
•প্রতি এককের সাইজ•(১৯.৫X১৪X১.৫) ইঞ্চি

 

প্রোডাক্ট সম্পর্কে ভিডিও দেখে নিতে পারেনঃ

 

এই প্রোডাক্ট সম্পর্কে কিছু কমন প্রশ্ন ও উত্তর জেনে নেওয়া যাকঃ

প্রশ্নঃ রাবার স্পীড ব্রেকার বা রাবার স্পীড হাম্পস বা রাবারের তৈরি গতিরোধক কি?

উত্তরঃ যে বস্তুর মাধ্যমে নিরাপত্তার স্বার্থে রাস্তায় চলাচলকৃত গাড়ির গতি কমানো হয়ে থাকে তাকে স্পীড ব্রেকার বা স্পীড হাম্পস বা গতি রোধক বলে। রাস্তার গাড়ি চলাচলে বাধা সৃষ্টিকারী এই বস্তুটি যদি রাবারের বা প্লস্টিকের তৈরি হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে এই স্পীড ব্রেকারকে রাবার স্পীড ব্রেকার / প্লাস্টিক স্পীড ব্রেকার বলা হয়।

———————————————————————————–

প্রশ্নঃ স্পীড ব্রেকার কেন ব্যবহার করা হয়? 

উত্তরঃ সমগ্র বিশ্বে প্রতিদিন কমবেশি সড়ক দুর্ঘটনা হয়েই থাকে, যার ফলে মানুষের প্রাণহানি সহ নানা ধরণের ক্ষতি হয়। সড়ক দুর্ঘটনা অন্যতম একটি কারন হল গাড়ির অতিরিক্ত গতি, তাই ঝুকিপূর্ন রাস্তায় বা স্থানে গাড়ির গতি কমিয়ে সড়ক দুর্ঘটনা কমানোর জন্য এবং রাস্তার নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানোর জন্য সাধারণত স্পীড ব্রেকার ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এছাড়া নিয়ন্ত্রিতভাবে অনেক কর্পোরেট হাউজের পারকিং লটে এই প্রোডাক্ট ইউজ করা হয়ে থাকে।

———————————————————————————–

প্রশ্নঃ রাবার স্পীড ব্রেকার কি উপাদান দিয়ে তৈরি?

উত্তরঃ রাবার স্পীড ব্রেকার সাধারণত দুইটি উপাদান দিয়ে তৈরি করা হয়ে থাকে। একটি হল হাই কোয়ালিটি সিনথেটিক রাবার এবং অন্যটি হল হাই কোয়ালিটি ইঞ্জিনিয়ারিং প্লাস্টিক। যা ব্যবহারে স্পীড ব্রেকার হয় আরো বেশি শক্তিশালী এবং টেকসই।

———————————————————————————–

প্রশ্নঃ রাবার স্পীড ব্রেকার এর উপদ দিয়ে কোন কোন গাড়ি যেতে পারবে? 

উত্তরঃ এই স্পীড ব্রেকারের উপর দিয়ে বাংলাদেশে চলাচল করে এমন ছোট থেকে বড় সকল গাড়ি স্পীড কমিয়ে চলাচল করতে পারবে খুব সহজেই।

———————————————————————————–

প্রশ্নঃ রাবার স্পীড ব্রেকার কেন ব্যবহার করবেন?

উত্তরঃ ঝুকিপূর্ণ এবং গুরুত্বপূর্ণ সকল রাস্তায় নিরাপত্তার স্বার্থে এবং সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করতে স্পীড ব্রেকার ব্যবহার করা উচিত। সাধারণ স্পীড ব্রেকার থেকে এই রাবারের তৈরি স্পীড ব্রেকার অনেক বেশি নিরাপত্তা দিবে, বেশি টেকশই এবং আধুনিক হওয়ার কারনে আপনি রাবার স্পীড ব্রেকার ব্যবহার করবেন।

———————————————————————————–

প্রশ্নঃ সাধারণ স্পীড ব্রেকার এবং রাবার স্পীড ব্রেকার এর মধ্যে পার্থক্য কি কি?

উত্তরঃ সাধারণ স্পীড ব্রেকার এবং রাবারের তৈরি এই বিশেষ ধরণের স্পীড ব্রেকার মূলত একই ধরণের কাজ করে থাকে কিন্তু এই দুইটি স্পীড ব্রেকারের মধ্যে রয়েছে বেশ কয়েকটি পার্থক্য। প্রথমত এর উপাদান, সাধারণ স্পীড ব্রেকার পিচের তৈরি হওয়ার কারণে এটা সহজেই যে কোন স্থানে বা যে কোন সময় ইনস্টল করা যায় না কিন্তু রাবারের স্পীড হাম্পস বা ব্রেকার যে কোন সময় যে কোন রাস্তায় ইনস্টল করা যায়। দ্বিতীয়ত রাবারের তৈরি এই বিশেষ ধরণের স্পীড ব্রেকারটি কালো এবং হলুদ রঙ এর হওয়ার কারনের গাড়ির চালক চলন্ত অবস্থায় খুব সহজেই এটি দেখতে পারে এবং সময়মত গাড়ির গতি কমাতে পারে কিন্তু সাধারণ স্পীড ব্রেকারের রঙ বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সাদা-কালো হওয়ার কারনের চলন্ত অবস্থায় গাড়ির চালকের চোখে পড়ে না সেক্ষত্রে হতে পারে মারাত্বক দূর্ঘটনা। তৃতীয়ত সাধারণ স্পীড ব্রেকার থেকে রাবারের তৈরি এই বিশেষ ব্রেকার অনেক বেশি আধুনিক, সুন্দর এবং নিরাপত্তা বেশি। চতুর্থত  রাবারের এই স্পীড ব্রেকার উন্নতমানের সিনথেটিক রাবার বা ইঞ্জিনিয়ারিং প্লাস্টিকের তৈরি হওয়ার কারনের পিচের তৈরি সাধারণ স্পীড ব্রেকার থেকে অনেক বেশি টেকশই এবং শক্তিশালী যার স্থায়িত্বকাল থেকে বছরের পর বছর। পঞ্চম এবং শেষ পার্থক্য হল প্লাস্টিকের তৈরি এই স্পীড ব্রেকারের লোড ক্যাপাসিটি সাধারণ ব্রেকার থেকে অনেক বেশি হয়ে থাকে যার ফলে এই বিশেষ স্পীড ব্রেকার যে কোন যায়গায় ব্যবহার করা যায়।

———————————————————————————–

প্রশ্নঃ রাবার স্পীড ব্রেকার কি যে কোন সময় ফেটে বা নষ্ট হয়ে যেতে পারে?

উত্তরঃ না। রাবারের তৈরি এই স্পীড ব্রেকারের লোড ক্যাপাসিটির চেয়েও বেশি লোডের গাড়ি যদি এর উপর দিয়ে চলাচল করে সবসময় সেক্ষেত্রে এই স্পীড ব্রেকারের স্থায়িত্ব কিছুটা কমবে কিন্তু সাথে সাথে এই স্পীড ব্রেকার কিছুটা চ্যাপ্টা হয়ে যেতে পারে। কিন্তু হুট করে ফেটে যাবেনা।

———————————————————————————–

প্রশ্নঃ এই প্রোডাক্ট এর দাম কেমন?

উত্তরঃ আমরা যেহেতু এই প্রোডাক্ট দেশের বাইরে থেকে ইমপোর্ট করে নিয়ে আসি তাই বিশ্ববাজারের দাম, ভ্যাট, ট্যাক্স ইত্যাদি খরচের উপর ভিত্তি করে আমাদের একেক সময় একেক রকম দাম পড়ে। তাই বর্তমান দাম জানতে নিচের দেওয়া মোবাইল নাম্বারে দয়া করে আমাদেরকে কল করুন।

আমাদের প্রতিনিধিগণ আপনাকে লেটেস্ট প্রাইস দিয়ে দিবে।

———————————————————————————–

প্রশ্নঃ ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে এই প্রোডাক্ট কিভাবে পাবো?

উত্তরঃ আপনার লোকেশন যদি ঢাকা হয়ে থাকে তবে আপনি সরাসরি আমাদের অফিসের ঠিকানায় চলে আসতে পারেন। অফিসে এসে প্রোডাক্ট সামনাসামনি দেখে, প্রোডাক্ট চেক করে সব কিছু ঠিক থাকলে ক্যাশ টাকা দিয়ে প্রোডাক্ট কিনে নিয়ে যেতে পারেন। আর আপনি যদি ঢাকার বাহিরে অবস্থান করেন এবং আমাদের অফিসে আসা যদি আপনার সম্ভব না হয় তাহলে, আপনি চাইলে কুরিয়ারের কন্ডিশনাল পেমেন্টের মাধ্যমেও আমাদের প্রোডাক্ট ডেলিভারি নিতে পারেন। সেক্ষেত্রে আপনার নাম, মোবাইল নাম্বার এবং ঠিকানার সাথে আমাদেরকে ১০০০ টাকা বিকাশে বা ব্যাংকে এ্যাডভান্স করতে হবে। এ্যাডভান্স পেমেন্ট পাওয়ার পর আমরা প্রোডাক্ট কুরিয়ারে বুকিং করে দিব, তার পরবর্তী ১-২ দিনের মধ্যে আপনি কুরিয়ারে মাল পেয়ে যাবেন। কুরিয়ারের মাধ্যমে প্রোডাক্ট ডেলিভারি নিলে কুরিয়ারের সকল চার্জ কাস্টমারকে বহন করতে হবে।

———————————————————————————–

প্রশ্নঃ এই প্রোডাক্ট কেনার জন্য পেমেন্টের সিস্টেম কি?

উত্তরঃ আমাদের অফিসে এসে প্রোডাক্ট কিনে নিয়ে গেলে প্রোডাক্টের সম্পূর্ণ টাকা ক্যাশ পেমেন্ট করতে হবে। আর যদি কুরিয়ারের কন্ডিশনাল পেমেন্টে প্রোডাক্ট ডেলিভারি নিতে চান সেক্ষেত্রে আমাদেরকে ১০০০ টাকা বিকাশে বা ব্যাংকে এ্যাডভান্স করতে হবে এবং বাকি টাকা মাল ডেলিভারি নেওয়ার সময় কুরিয়ার পেমেন্ট করতে হবে।

———————————————————————————–

প্রশ্নঃ কুরিয়ার খরচ আনুমানিক কেমন হবে?  

উত্তরঃ এটা নির্ভর করে প্রোডাক্টের সাইজের উপর, মানে কার্টোন যত বড় হবে তার উপর নির্ভর করবে কুরিয়ারের চার্জ কত হবে। সাধারনত প্রোডাক্টের সাইজ অনুযায়ী ২০০ টাকা থেকে শুরু করে ২০০০ টাকা পর্যন্ত কুরিয়ার খরচ হতে পারে।

———————————————————————————–

প্রশ্নঃ ঢাকায় বা বাংলাদেশে এই প্রোডাক্ট কে বা কারা বিক্রি করে? কিভাবে তাদের সাথে এই প্রোডাক্ট কেনার জন্য যোগাযোগ করতে পারি? কোন প্রোডাক্ট লিঙ্ক দিতে পারবেন কি?

উত্তরঃ এই প্রোডাক্ট নবারুন ইন্টারন্যাশনাল বিক্রি করে থাকে।

রাবার স্পীড ব্রেকার  ক্রয় করার জন্য নবারুন ইন্টারন্যাশনালের সাথে যোগাযোগ করার মোবাইল নাম্বারঃ ০১৭১১ ৯৯৮৬২৬

ইমেইলঃ sales@nobarunbd.com

প্রোডাক্ট লিংকঃ https://www.nobarunbd.com/removable-speed-breaker-rubber-speed-bumps-in-bangladesh

 

[yuzo_related]