সফটি আইসক্রিম মেশিনঃ কোন ধরনের মেশিন দিয়ে ব্যবসা শুরু করবেন?

Category:
  • দ্রুত ঠান্ডা করার ক্ষমতাঃ এই মেশিনের অন্যতম একটি বৈশিষ্ট হচ্ছে আইসক্রিম দ্রুত ঠান্ডা করার ক্ষমতা। এই মেশিনে আইসক্রিমের মিক্সার দেবার পর ৫ থেকে ৭ মিনিটের মধ্যেই আইসক্রিম বের করতে পাড়বেন। এই বৈশিষ্ঠের জন্য মেশিনটি ইনস্ট্যান্ট আইসক্রিম মেশিন হিসেবেও পরিচিত।
  • ৩ ফ্লেভার বা নজেলঃ মেশিনটি একসাথে ৩ টি ফ্লেভার সার্ভ বা পরিবেশন করতে পারে। যার মধ্যে রয়েছে দুইটি আলাদা আলাদা ফ্লেভার এবং একটি মিক্সট ফ্লেভার। ধরুন আপনি মেশিনে ভ্যানিলা এবং চকলেট এই দুইটি ফেভার দিয়েছেন, তাহলে প্রথমটি ভ্যানিলা ফ্লেভার দ্বিতীয়টি চকলেট ফ্লেভার এবং তৃতীয়টি পাবেন ভ্যানিলা এবং চকলেট মিক্সট ফ্লেভার।
  • অটোম্যাটিক ফিচারঃ এই মেশিনটি একটি অটোম্যাটিক মেশিন। যেখানে মেশিন নিজে নিজেই অনেক কাজ আপনাকে করে দিবে এবং এই মেশিনে রয়েছে অনেক অটোম্যাটিক সেফটি ফিচার। যেমনঃ ডিসপেন্সিং ভাল্ব অটো ক্লোজিং, লো মিক্সার ইনডিকেটর এলার্ম এবং লাইট, লো টেম্পারেচার প্রটেকশন, মোটর অ্যাম্পেরেজ প্রটেকশন, হাই প্রেশার প্রটেকশন, ওভারলোড প্রটেকশন ইত্যাদি।
  • ম্যাক্সিমাম আউটপুটঃ এই মেশিনটি একটি ইন্ড্রাষ্টিয়াল গ্রেডের মেশিন। এই সফটি আইসক্রিম মেশিন দিয়ে প্রতি ঘন্টায় প্রায় ৩০০ কোণ বা কাপ আইসক্রিম বের করা যাবে যা সাধারণ মেশিন থেকে অনেক বেশি।
  • ফ্লেভার বা প্রিমিক্সের নিশ্চয়তাঃ এই আইসক্রিমের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হল এর ফ্লেভার বা প্রিমিক্স। সফট সার্ভ আইসক্রিম মেশিনের পাশাপাশি আমরা এই আইসক্রিম তৈরির ফ্লেভার বা প্রিমিক্সও ইমপোর্ট করে থাকি। বাংলাদেশের চাহিদা অনুযায়ী আমরা সাধারণত ৩ ধরণের ফ্লেভার ইমপোর্ট করে থাকি। যেমনঃ ভেনিলা ফ্লেভার, চকলেট ফ্লেভার এবং স্ট্রবেরি ফ্রেভার। আমাদের প্রিমিক্সের তৈরি আইসক্রিম খেতে যেমন স্বাদ তেমনই স্বাস্থ্যকর। আমাদের প্রিমিক্সের সাথে কোন ধরণের দুধ মিশাতে হয় না কারন এই প্রিমিক্সের সাথে স্কিম মিল্ক পাউডার দেওয়া থাকে, শুধুমাত্র প্রতি কেজি প্রিমিক্সের সাথে ৪ থেকে ৪.৫ লিটার পানি মিশালেই তৈরি হয়ে যায় কাঙ্খিত আইসক্রিম মিক্সার।
  • কোণ বিস্কুট এবং কাপঃ ফ্লেভার বা প্রিমিক্সের পাশাপাশি আমরা কোণ বিস্কুট এবং কাপও সাপ্লাই করে থাকি। আপনার চাহিদামত বিভিন্ন ধরণের কোণ বিস্কুট এবং কাপ আমাদের কাছ থেকে সংগ্রহ করতে পাড়বেন। মানে এই মেশিন চালাতে যা যা লাগবে তার সবই পাবেন আমাদের কাছে।
  • ম্যাক্সিমাম হোপার ক্যাপাসিটিঃ মেশিনের যে অংশে আইসক্রিম মিক্সার ঢালা হয় তাকে হোপার বলে। আমাদের এই মেশিনের হোপার ক্যপাসিটি ১২ লিটার প্রতি চেম্বার। মানে ২ টি চেম্বারে মোট ২৪ লিটার আইসক্রিম মিক্সার ঢালা যায় এই মেশিনে।
  • মেইড ইন ইউএসএঃ এই ধরণের সফটি আইসক্রিম মেশিন বিভিন্ন দেশ উত্পাদন করে থাকে। মেইড ইন চায়না শুনতে শুনতে আমরা যখন ক্লান্ত ঠিক তখন বলতে চাই আমাদের এই মেশিনটি আমেরিকার তৈরি এবং খুবই উন্নত প্রযুক্তি এবং কাঁচামাল দিয়ে এই মেশিন তৈরি করা হয়েছে। নিঃসন্দেহে বলা যায় মেশিনটি একটি উন্নতমানের মেশিন।
  • ওয়াটার কুলিং সিস্টেমঃ যে কোন ফ্রিজিং মেশিন বা আইসক্রিম মেশিনেই কুলিং সিস্টেম থাকে, তবে সাধারণ ফ্রিজিং মেশিন বা আইসক্রিম মেশিনে এয়ার কুলিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়। আমারিকার তৈরি এই উন্নতমানের মেশিনে ব্যবহার করা হয়েছে ওয়াটার কুলিং সিস্টেম বা লিকুইড কুলিং সিস্টেম যা মেশিনকে রাখবে ঠান্ডা এবং নিশ্চিত করবে এর দীর্ঘ স্থায়িত্ব।
  • সহজ ব্যবহারঃ মেশিনটির ব্যবহার একেবারেই সহজ, যে ফ্লেভারের আইসক্রিম নিতে যাচ্ছেন সেই নজেল নিচের দিকে প্রেস করলেই সফট সার্ভ আইসক্রিম বের হবে নির্দিষ্ট ডিসপেন্সিং ভাল্ভ দিয়ে। তবে যারা এই মেশিন ব্যবহার করতে করতে দক্ষ হয়ে যায় তারা খুব শৈল্পিকতার সাথে এই কাজটি করতে পারে।
  • ব্যবহারের ক্ষেত্রঃ যে কোন আইসক্রিম পার্লার, রেস্টুরেন্ট, কেন্টিন, কনফেকশনারি শপ, ফাস্ট ফুড, ফুড হল, স্কুল / কলেজ / ইউনিভার্সিটির সামনের দোকান, পার্কের ভিতরের দোকানসহ যে কোন ধরণের খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানে ব্যবহার করতে পারেন সফটি আইসক্রিম মেশিন।
  • আকর্ষণীয় ডিজাইনঃ মেশিনটির অনেক ভাল বৈশিষ্টের মধ্যে অন্যতম একটি হল এর সুন্দর ডিজাইন। যার ফলে যে কোন পরিবেশে এই মেশিনটি ব্যবহার করা যায়। এই মেশিনের বাহিরের অংশে ব্যবহার করা হয়েছে উচ্চ গ্রেডের স্টিলনেস ষ্টীল যা ব্যবহারে মেশিনের স্থায়িত্ব বেড়েছে অনেক গুন।
  • ওয়ারেন্টিঃ এই মেশিনের সাথে আমরা ১ বছরের ফ্রি সার্ভিস ওয়ারেন্টি দিয়ে থাকি, এই সময় শেষ হয়ে গেলে আমরা মেশিন সার্ভিসের জন্য চার্ট অনুযায়ী চার্জ করে থাকি।

    প্রোডাক্ট এর ফিচারগুলো দেখা নেওয়া যাকঃ

     

    •ফ্লেভার •৩ টি (২ টি আলাদা + ১ টি মিক্সট)
    •হোপার ক্যাপাসিটি •১২ লিটার X ২ টি
    •নজেল •৩ টি
    •আউটপুট ক্ষমতা• ৩০০ কোণ / কাপ প্রতি ঘন্টা
    •মেশিনের ওজন•১৬৫ কেজি
    •ওভারলোড প্রোটেকশন •হ্যাঁ
    •মেশিনের সাইজ•(২১.৭ X ২৫.৭ X ৫৮) ইন্সি
    •পাওয়ার • ২.৬ কিলো ওয়াট
    •স্ট্যান্ডবাই মোড •হ্যাঁ
    •ডিজিটাল ডিসপ্লে •হ্যাঁ
    •লো মিক্স লাইট + ইন্ডিকেটর•হ্যাঁ
    •কুলিং সিস্টেম•ওয়াটার কুলিং

    প্রোডাক্ট সম্পর্কে ভিডিও দেখে নিতে পারেনঃ

    এই প্রোডাক্ট সম্পর্কে কিছু কমন প্রশ্ন ও উত্তর জেনে নেওয়া যাকঃ

    প্রশ্নঃ সফটি আইসক্রিম মেশিন কি?

    উত্তরঃ আইসক্রিম একটি সুস্বাদু খাবার, আইসক্রিম খেতে পছন্দ করে না এমন মানুষ খুজে পাওয়া কঠিন। সফট সার্ভ হল হিমায়িত দুগ্ধ জাতীয় মিষ্টান্ন যা সাধারণ আইসক্রিমের মত তবে সাধারণ আইসক্রিমের থেকে কিছুটা নরম হয়ে থাকে। যে মেশিনের মাধ্যমে এই বিশেষ ধরণের আইসক্রিম তৈরি করা হয় তাকে সফটি আইসক্রিম মেশিন বলা হয়। এই ধরণের আইসক্রিম সর্বপ্রথম আমেরিকাতে ১৯৩০ সালে পরিবেশন করা হয়।

    ———————————————————————————–

    প্রশ্নঃ অন্যন্য আইস্ক্রিমের সাথে সফট সার্ভ আইসক্রিমের পার্থক্য কি?

    উত্তরঃ সাধারণ আইসক্রিম আর সফট সার্ভ আইসক্রিমের মধ্যে বেশ কয়েকটি পার্থক্য রয়েছে। ১ম পার্থক্য হল সাধারণ আইসক্রিম শক্ত হয়, সফট সার্ভ আইসক্রিম নরম হয়। ২য় পার্থক্য হল সাধারণ আইসক্রিম অনেক আগে থেকে তৈরি করে প্যাকেট করে রাখা হয় এবং পরবর্তীতে প্যাকেটে করে বিক্রি করা হয়, অর্ডার করার পর কাস্টমারকে সফট সার্ভ আইসক্রিম সাথে সাথে তৈরি করে দেওয়া হয়। ৩য় পার্থক্য সাধারণ আইসক্রিম অনেক আকৃতির হয়ে থাকে কিন্তু সফট সার্ভ আইসক্রিমের কোন আকার হয় না, এটিকে কোণ এবং কাপে পরিবেশন করা হয়ে থাকে। ৪র্থ পার্থক্য সাধারণ আইসক্রিম থেকে সফট সার্ভ আইসক্রিম খেতে অনেক বেশি সুস্বাদু হয়ে থাকে।

    ———————————————————————————–

    প্রশ্নঃ এই মেশিন কিভাবে চালাতে বা ব্যবহার করতে হয়?

    উত্তরঃ এই মেশিনের ব্যবহার খুবই সহজ। প্রথমে প্রিমিক্সের সাথে পরিমান মত পানি যোগ করে মিক্সারটি মেশিনের হোপারে ঢেলে দিন। তারপর মেশিনটি অন করে ৫ থেকে ৭ মিনিট অপেক্ষা করুন, মেশিনের ডিজিটাল ডিসপ্লেতে যখন দেখাবে প্রেস টু সার্ভ তখন নজেল চেপে চাহিদামত কোণ বা কাপে আইসক্রিম বের করে নিন।

    ———————————————————————————–

    প্রশ্নঃ এই সফটি আইসক্রিম মেশিন এর সাহায্যে ঘন্টায় কত গুলো কোণ বা কাপ প্রডাকশন করা যাবে?

    উত্তরঃ আমেরিকার তৈরি আমাদের এই মেশিন ঘন্টায় প্রায় ৩০০ টি কোণ বা কাপ সার্ভ করতে পারে। যা সাধারন যে কোন আইসক্রিম মেশিনের তুলনায় অনেক বেশি।

    ———————————————————————————–

    প্রশ্নঃ এই সফটি আইসক্রিম মেশিন চালালে বিদ্যুৎ খরচ কেমন হবে?

    উত্তরঃ এই মেশিনটি যখন মিক্সারকে আইসক্রিম বানাবে শুধুমাত্র তখন মেশিনটি কারেন্টের লোড নিবে বাকি সময় মেশিনটি স্ট্যান্ডবাই মোডে থাকবে। আইসক্রিম তৈরি করার সময় মেশিনটি ঘন্টায় ২.৬ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ করবে, যা ৮ টাকা প্রতি ইউনিট হিসেবে ধরলে আইসক্রিম বানানো অবস্থায় ঘন্টায় ২০.৮০ টাকা খরচ হবে। এই ধরণের আইসক্রিম মেশিন হিসেবে যা খুবই কম। আর স্ট্যান্ডবাই মোডে থাকা কালীন মেশিনটি খুবই কম বিদ্যুৎ খরচ করবে।

    ———————————————————————————–

    প্রশ্নঃ এই সফটি আইসক্রিম মেশিন দিয়ে আইসক্রিম তৈরি করতে যে প্রিমিক্স বা উপাদান / ইনগ্রেডিয়েন্স লাগে সেগুলো কি আমি নিজে বানাতে পারব?

    উত্তরঃ জ্বি। আপনি শেইফ হয়ে থাকলে পাড়বেন। কিন্তু ফ্যাক্টরি থেকে তৈরি করা প্রিমিক্স আর হাতে বানানো প্রিমিক্সের স্বাদ কখনোই এক রকম হবে না। আমরা যে প্রিমিক্স ব্যবহার করে থাকি তা বিশ্বমানের প্রিমিক্স। এর স্বাদ একবার নিলে সেটা বুঝতে পাড়বেন। আমাদের প্রিমিক্স দেশের বাইরে থেকে ইমপোর্ট করা হয়।

    ———————————————————————————–

    প্রশ্নঃ মফস্বলে বা গ্রামে কি এই আইসক্রিম মেশিন চালিয়ে ব্যবসা করা সম্ভব?

    উত্তরঃ অবশ্যই সম্ভব। সব থেকে বড় ব্যাপার হল মফস্বলে বা গ্রামে এই ধরণের আইসক্রিম আগে কখনো পাওয়া যায় নি। আপনি যখন নতুন করে আপনার এলাকায় এই ধরণের মেশিন দিয়ে আইসক্রিম বিক্রি শুরু করবেন তখন এর স্বাদ এবং নতুনত্ব এই দুইয়ে মিলে অবশ্যই আপনার ব্যবসা অনেক ভাল হবে ইনশাআল্লাহ।

    ———————————————————————————–

    প্রশ্নঃ রেস্টুরেন্টে বা ফাস্টফুডে এই ধরণের আইসক্রিম বিক্রি করলে মাসে কেমন টাকা প্রফিট করা সম্ভব?

    উত্তরঃ রেস্টুরেন্টে বা ফাস্টফুডে বা ফুডকোর্টে এই ধরণের আইসক্রিম বিক্রি করা খুবই ভাল সিদ্ধান্ত বলে আমি মনে করি, কারন সেক্ষেত্রে আপনাকে নতুন করে কোন জায়গা নিতে হবে না। রেস্টুরেন্টে বা ফাস্টফুডে বা ফুডকোর্টে এই ধরণের আইসক্রিম বিক্রি করলে গড়ে ৮০% থেকে ১০০% পর্যন্ত প্রফিট করা সম্ভব।

    ———————————————————————————–

    প্রশ্নঃ এই প্রোডাক্ট এর দাম কেমন?

    উত্তরঃ আমরা যেহেতু এই প্রোডাক্ট দেশের বাইরে থেকে ইমপোর্ট করে নিয়ে আসি তাই বিশ্ববাজারের দাম, ভ্যাট, ট্যাক্স ইত্যাদি খরচের উপর ভিত্তি করে আমাদের একেক সময় একেক রকম দাম পড়ে। তাই বর্তমান দাম জানতে নিচের দেওয়া মোবাইল নাম্বারে দয়া করে আমাদেরকে কল করুন।

    আমাদের প্রতিনিধিগণ আপনাকে লেটেস্ট প্রাইস দিয়ে দিবে।

    ———————————————————————————–

    প্রশ্নঃ ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে এই প্রোডাক্ট কিভাবে পাবো?

    উত্তরঃ আপনার লোকেশন যদি ঢাকা হয়ে থাকে তবে আপনি সরাসরি আমাদের অফিসের ঠিকানায় চলে আসতে পারেন। অফিসে এসে প্রোডাক্ট সামনাসামনি দেখে, প্রোডাক্ট চেক করে সব কিছু ঠিক থাকলে ক্যাশ টাকা দিয়ে প্রোডাক্ট কিনে নিয়ে যেতে পারেন। আর আপনি যদি ঢাকার বাহিরে অবস্থান করেন এবং আমাদের অফিসে আসা যদি আপনার সম্ভব না হয় তাহলে, আপনি চাইলে কুরিয়ারের কন্ডিশনাল পেমেন্টের মাধ্যমেও আমাদের প্রোডাক্ট ডেলিভারি নিতে পারেন। সেক্ষেত্রে আপনার নাম, মোবাইল নাম্বার এবং ঠিকানার সাথে আমাদেরকে ২০০০ টাকা বিকাশে বা ব্যাংকে এ্যাডভান্স করতে হবে। এ্যাডভান্স পেমেন্ট পাওয়ার পর আমরা প্রোডাক্ট কুরিয়ারে বুকিং করে দিব, তার পরবর্তী ১-২ দিনের মধ্যে আপনি কুরিয়ারে মাল পেয়ে যাবেন। কুরিয়ারের মাধ্যমে প্রোডাক্ট ডেলিভারি নিলে কুরিয়ারের সকল চার্জ কাস্টমারকে বহন করতে হবে।

    ———————————————————————————–

    প্রশ্নঃ এই প্রোডাক্ট কেনার জন্য পেমেন্টের সিস্টেম কি?

    উত্তরঃ আমাদের অফিসে এসে প্রোডাক্ট কিনে নিয়ে গেলে প্রোডাক্টের সম্পূর্ণ টাকা ক্যাশ পেমেন্ট করতে হবে। আর যদি কুরিয়ারের কন্ডিশনাল পেমেন্টে প্রোডাক্ট ডেলিভারি নিতে চান সেক্ষেত্রে আমাদেরকে ২০০০ টাকা বিকাশে বা ব্যাংকে এ্যাডভান্স করতে হবে এবং বাকি টাকা মাল ডেলিভারি নেওয়ার সময় কুরিয়ার পেমেন্ট করতে হবে।

    ———————————————————————————–

    প্রশ্নঃ কুরিয়ার খরচ আনুমানিক কেমন হবে?

    উত্তরঃ এটা নির্ভর করে প্রোডাক্টের সাইজের উপর, মানে কার্টোন যত বড় হবে তার উপর নির্ভর করবে কুরিয়ারের চার্জ কত হবে। সাধারনত প্রোডাক্টের সাইজ অনুযায়ী ২০০ টাকা থেকে শুরু করে ২০০০ টাকা পর্যন্ত কুরিয়ার খরচ হতে পারে।

    ———————————————————————————–

    প্রশ্নঃ বিক্রির পর সাপোর্ট পাবো কিভাবে?

    উত্তরঃ আমাদের সার্ভিস বা সাপোর্টের নাম্বারে কল দিয়ে আপনার প্রোডাক্টের সমস্যার কথা জানালেই আমরা আপনাকে সাপোর্ট দিব। আমরা সাধারণত আমাদের প্রোডাক্টের ১ বছরের ফ্রি সার্ভিস ওয়ারেন্টি দিয়ে থাকি। এই সময়ের মধ্যে প্রোডাক্টের যে কোন ধরণের সমস্যা হলে আমরা বিনা মূল্যে সার্ভিস করে দিব এবং এর পরে হলে সার্ভিস চার্জ দিতে হবে। প্রোডাক্ট সার্ভিস করতে যদি কোন পার্টস প্রয়োজন হয় তাহলে, কাস্টমার তার মূল্যে পরিশোধ করবে।

    ———————————————————————————–

    প্রশ্নঃ ঢাকায় বা বাংলাদেশে এই প্রোডাক্ট কে বা কারা বিক্রি করে? কিভাবে তাদের সাথে এই প্রোডাক্ট কেনার জন্য যোগাযোগ করতে পারি? কোন প্রোডাক্ট লিঙ্ক দিতে পারবেন কি?

    উত্তরঃ এই প্রোডাক্ট নবারুন ইন্টারন্যাশনাল বিক্রি করে থাকে।

    সফটি আইসক্রিম মেশিন  ক্রয় করার জন্য নবারুন ইন্টারন্যাশনালের সাথে যোগাযোগ করার মোবাইল নাম্বারঃ ০১৭১১ ৯৯৮৬২৬

    ইমেইলঃ sales@nobarunbd.com

    প্রোডাক্ট লিংকঃ https://www.nobarunbd.com/soft-ice-cream-machine-in-bangladesh

[yuzo_related]
error: Content is protected !!