আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটর এর সঠিক ব্যবহার এবং উপকারিতা

নিরাপত্তা এমন একটি শব্দ যা নিয়ে সমগ্র বিশ্বের সবাই চিন্তিত। কিভাবে আরো বেশি নিরাপদ থাকা যায় এবং নিরাপদ রাখা যায় সাধারণ মানুষকে এই নিয়ে চিন্তিত খোদ সরকার প্রধানরাও। উন্নত এবং ক্ষমতাবান দেশগুলোর পাশাপাশি বাংলাদেশও পিছিয়ে নেই, নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন অনেক সরকারী এবং বেসরকারী প্রতিষ্ঠান এবং লাখ লাখ মানুষ। ভবন এবং প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় এমন একটি প্রোডাক্ট নিয়ে আজকে আমরা আলোচনা করব ইনশা-আল্লাহ। আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটর এমন একটি মেশিন, যা ব্যবহারে আপনার ভবন এবং আপনার প্রতিষ্ঠান থাকবে নিরাপদ এবং আপনি থাকবেন দুশ্চিন্তামুক্ত। চলুন এই বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

  • ডিটেকশন জোনঃ আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটর বাজারে বিভিন্ন রকম ডিটেকশন ডিটেকশন জোনের পাওয়া যায়। আমাদের এই হাই কোয়ালিটি আর্চওয়ে গেট ৬ জোন বিশিষ্ট, মানে যে কোন মানুষ এই মেটাল ডিটেকটরের ভিতর দিয়ে পাস হয়ে যাওয়ার সময় মেটাল ডিটেকটরটি অই মানুষটিকে ৬ টি ভাগে ভাগ করে স্ক্যান করবে, শরীরে কোন মেটাল থাকলে মেশিনটি একটি শব্দ করে জানিয়ে দিবে যে উনার সাথে মেটাল জাতীয় কিছু রয়েছে এবং শরীরের কোন অংশে মেটাল রয়েছে তা জানিয়ে দিবে আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটরের সাইড বডিতে থাকা লাইট জ্বালিয়ে।
  • ব্যবহারের ক্ষেত্রঃ যে কোন পাবলিক প্লেস যেমনঃ হোটেল, মার্কেট / শপিং মল, পার্ক, হাসপাতাল, খাবার দোকান, সরকারি / বেসরকারি অফিস, স্কুল / কলেজ, সুপারশপ, ব্যাংক, ফ্যাক্টরি এবং ইকোনমিক জোন ইত্যাদি জায়গায় অবশ্যই আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটর ব্যবহার করা উচিত। মানে যে সকল জায়গায় সাধারণ মানুষ যাতায়াত করে সবসময় সে সকল জায়গায় এটির ব্যবহার খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
  • নিরাপত্তা নিশ্চিত করাঃ যে কোন ধরণের সহিংসতা এবং হামলার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য প্রথম ধাপ হচ্ছে আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেক্টর ব্যবহার করা। ধরুন কোন ব্যক্তি তার সাথে কোন পিস্তল বা চাকু বহন করছে, অনেক ক্ষেত্রেই তা হতে পারে ভয়াবহ বিপদের ব্যপার, আপনি কিন্তু আপনার আর্চওয়ে গেট দিয়ে খুব সহজেই ধরে ফেলতে পাড়বেন যে উনার সাথে কোন ভারি মেটাল বা চাকু বা পিস্তল রয়েছে।
  • অন্যান্য সুবিধা সমূহঃ আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটর মেশিনে মেটাল ডিটেক্ট করা ছাড়াও আরো কিছু সুবিধা পাওয়া যায়, মেশিনের মডেল ভেদে এই ফিচার আলাদা আলাদা হয়ে থাকে। যেমন হেড কাউন্ট, মানে কতজন লোক এই গেট দিয়ে প্রবেশ করেছে বা বের হয়েছে তা গণনা করা, এই সুবিধাটি প্রায় সকল আর্চওয়ে গেটেই থাকে। তাছাড়া তারিখ / সময় দেখানো, রুমের তাপমাত্রা দেখানো, বিদ্যুৎ ছাড়া চালানোর ব্যবস্থা, ডিটেকশন সেনsসসিটিভিটি কাস্টমাইজেশন সহ রয়েছে আরো অনেক ফিচার।
  • পাওয়ার সিস্টেমঃ আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটর অপারেট করার জন্য সাধারণ পাওয়ার সিস্টেম ব্যবহার করা হয়ে থাকে। একটি মোবাইল চার্জ দিতে বা একটি ল্যাপটপ চালাতে যেমন পাওয়ার প্রয়োজন হয়, এই মেশিনটি চালাতেও ঠিক তেমন পাওয়ার প্রয়োজন হয়। এই মেশিনটি মেটাল স্ক্যান করার সময় মাত্র ৩৫ ওয়াট বিদ্যুৎ খরচ করে থাকে, যা এই ধরণের মেশিনের হিসেবে খুবই কম।
  • ব্যবহার বিধিঃ আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটর ব্যবহার করা খুবই সহজ, প্রতিষ্ঠান অথবা বিল্ডিং এর সকল প্রবেশ পথে ব্যবহার করতে এই মেটাল ডিটেকটর মেশিনটি। যে কোন ব্যক্তি এই আর্চওয়ে গেটের ভিতর দিয়ে প্রবেশের সময় যদি মেশিনটি বিপ দেয় বা শব্দ করে তাহলে বুঝতে হবে উনার সাথে মেটাল রয়েছে এবং মেশিনের যে অংশে লাল রঙ এর লাইট জ্বলবে বুঝতে হবে সেই অংশেই মেটাল রয়েছে। সিটিউরিটির দায়িত্বে যিনি থাকবেন তিনি প্রবেশকারীর সেই অংশ ভালভাবে চেক করে ক্ষতিকারক কিছু না থাকলে প্রবেশকারীরে প্রবেশ করতে দিবে। আর ক্ষতিকারক কিছু পেলে সাথে সাথে প্রবেশকারীর উপর নির্ধারিত ব্যবস্থা গ্রহন করবে।
  • ওয়ারেন্টিঃ আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটরের সাথে আমরা ২ বছরের ফ্রি সার্ভিস ওয়ারেন্টি দিয়ে থাকি, এই সময়ের মধ্যে আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটরে কোন ধরণের সমস্যা হলে অথবা এটি ঠিকমত কাজ না করলে আমাদের সার্ভিসের নাম্বারে বা হট লাইনে কল দিয়ে বিষয়টি জানালে আমরা মেশিনটি ফ্রি সার্ভিস করে দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিব। এই সময়ের পরে যদি মেশিনটিতে কোন সমস্যা হয় সেক্ষেত্রে সার্ভিস করে আমাদের সার্ভিস চার্ট অনুযায়ী আমরা সার্ভিস বিল নিয়ে থাকি।

 

প্রোডাক্ট এর স্পেসেফিকেশন

জোনঃ ৬ জোন

ওয়াটঃ ৩৫ ডাব্লিও

ভোল্টঃ ২২০ ভোল্ট

ডিটেকশন লাইটঃ হ্যাঁ

হেড কাউন্টঃ হ্যাঁ

মেইড ইনঃ চায়না

সার্ভিস ওয়ারেন্টিঃ ২ বছর

ওয়ার্কিং টেম্পারেচারঃ – ২০ ডিগ্রী টু + ৫০ ডিগ্রী

ওজনঃ ৬০ কেজি

 

এক ঝলকে প্রোডাক্ট ভিডিও দেখে নিন

চলুন জেনে নেই আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটরেপ্রচলিত কিছু প্রশ্ন ও উত্তরঃ

প্রশ্নঃ মেটাল ডিটেকটর কি? মেটাল ডিটেকটর কি কি ধরণের হয়ে থাকে?

উত্তরঃ যে মেশিনের মাধ্যমে যে কোন ধরণের মেটাল ডিটেক্ট বা শনাক্ত করা হত তাকে মেটাল ডিটেকটর বলা হয়। মেটাল ডিটেকটর মেশিন অনেক রকমের হয়ে থাকে। যেমনঃ হ্যান্ড হেন্ড মেটাল ডিটেকটর, আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটর, আন্ডারগ্রাউন্ড মেটাল ডিটেকটর এবং এক্স-রে মেটাল ডিটেকটর।

———————————————————————————–

প্রশ্নঃ আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটর কাকে বলে?

উত্তরঃ যে মেটাল ডিটেকটর মেশিনের মাধ্যমে শরীর স্ক্যান করে দেখা হয় যে শরীরে কোন মেটাল রয়েছে কি না, তাকে আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটর বলে। আর্চওয়ে গেট ছাড়াও শরীর স্ক্যান করার জন্য হ্যান্ড হেল্ড মেটাল ডিটেকটরও ব্যবহার করা হয়ে থাকে। কিন্তু পরিপূর্ণ নিরাপত্তার জন্য আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটর ব্যবহার করতেই হবে।

———————————————————————————–

প্রশ্নঃ আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটর সাধারণত কত কত জোনের হয়ে থাকে?

উত্তরঃ আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটর সাধারণত ৬ জোন থেকে শুরু করে ৩৩ জোন পর্যন্ত হয়ে থাকে। এই ধরনের মেটাল ডিটেকটর মেশিনের কার্যক্ষমতা নির্ভর করে এর ডিটেকশন ক্যাপাসিটি, সেন্সর পাওয়ার এবং ডিটেকশন জোনের উপর।

———————————————————————————–

প্রশ্নঃ আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটর মেশিন কিভাবে কাজ করে?

উত্তরঃ যখন কোন ব্যাক্তি প্রবেশকারী এই মেশিনের ভিতর দিয়ে প্রবেশ করে তখন মেশিনটি অটোমেটিকভাবে অই ব্যক্তিকে পা থেকে মাথা পর্যন্ত স্ক্যান করে দেখে যে শরীরের কোথাও কোন মেটাল রয়েছে কি না। যদি মেশিনটি কোন মেটাল খুজে পায় সেক্ষেত্রে মেশিনটি শব্দ করে সিগনাল দিবে এবং শরীরের যে অংশে মেটাল রয়েছে সেই অংশে লাইট জ্বলবে। মেটাল থাকলে সিকিউরিটি চেকার প্রবেশকারীকে ভালভাবে ফিজিক্যালি চেক করে প্রবেশ করার অনুমতি দিবে।

———————————————————————————–

প্রশ্নঃ কোন কোন জায়গার জন্য আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটর ব্যবহার করা উচিৎ?  

উত্তরঃ যে কোন পাবলিক প্লেসে আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটর ব্যবহার করা উচিত। যেমনঃ হাসপাতাল, শপিং মল, হোটেল, খাবারের দোকান / রেস্টুরেন্ট, সুপারশপ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সিনেমা হল, বিনোদন পার্ক, সরকারী / বেসরকারি অফিস, ফ্যাক্টরি, এম্বাসি, সামরিক অফিস, ব্রান্ড শো রুম এবং ব্যংক সহ অন্যান্য যে কোন পাবলিক প্লেস।

———————————————————————————–

প্রশ্নঃ আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটর কি বিদ্যুৎ ছাড়া অন্য কোন উপায়ে চালানো যায়?

উত্তরঃ জ্বি। আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটর বিদ্যুৎ ছাড়া যে কোন রকম পাওয়ার সিস্টেম (যেমনঃ জেনারেটর, সোলার সিস্টেম, অনলাইন আইপিএস) দ্বারা চালানো যায়।

———————————————————————————–

প্রশ্নঃ সাধারণ থেকে আলাদা বা বিশেষ কোন ধরণের আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটর রয়েছে কি? থাকলে বিস্তারিত জানতে চাই।

উত্তরঃ  জ্বি আছে। এক ধরণের বিশেষ রিচার্জেবল আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটর রয়েছে যা বিদ্যুৎ দিয়ে চলার পাশাপাশি একবার ফুল চার্জ করে বিদ্যুৎ ছাড়া প্রায় ৪০+ ঘন্টা চালানো যায়, এটিকে প্যাকেট করে একটু ল্যাগেজে ভরে রাখা যায় এবং এটি ওয়াটার প্রুফ প্রোডাক্ট। এটি সাধারণত আউটডোরে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

———————————————————————————–

প্রশ্নঃ পাবলিক প্লেসে আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটর ব্যবহার না করলে কি কি সমস্যা হতে পারে?  

উত্তরঃ এটি একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। পাবলিক প্লেসে আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটর ব্যবহার না করলে অনেক ধরণের সমস্যা হতে পারে। যেমনঃ কোন অপরাধি বা দুষ্কৃতিকারী বন্দুক, পিস্তল, বোমা, চাকু সহ ক্ষতিকারক যে কোন কিছু নিয়ে সহজেই ভবনের ভিতরে ঢুকে যেতে পারবে কোন রকম বাধা ছাড়াই এবং যে কোন খারাপ ঘটনা ঘটিয়ে দিতে পারে খুব সহজেই। এই ধরণের ঘটনা আমাদের দেশে অহরহ না ঘটলেও মাঝে মাঝে ঘটে থাকে, এই ধরণের সমস্যার সমাধান করা সহ আপনার প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেন এই আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটর ব্যবহার করে।

———————————————————————————–

প্রশ্নঃ আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটর কেন ব্যবহার করা হয়?

উত্তরঃ যে কোন প্রবেশকারী কোন ক্ষতিকারন জিনিস নিয়ে যেন ভবন বা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করতে না পারে সেই জন্য আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটর ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

———————————————————————————–

প্রশ্নঃ আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটর কিভাবে ইনস্টল করতে হয়?

উত্তরঃ আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটর ইন্সটল করা খুবই সহজ। স্ক্রু এর মাধ্যমে আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটর এর দুইটি সাইট বডি এবং আপার বডি যুক্ত করে যে কোন জায়গায় বসিয়ে দিলেই বাহিরের ইনস্টলেশন শেষ। তারপর অভিজ্ঞ টেকনিশিয়ান দিয়ে এর সেনসিটিভিটি এডজাস্ট করাই হচ্ছে আসল কাজ, যা আমাদের অভিজ্ঞ এবং প্রশিক্ষন প্রাপ্ত টেকনিশিয়ানরা করে থাকে।

———————————————————————————–

প্রশ্নঃ আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটর এর লাইফটাইম কেমন মানে কত বছর সার্ভিস দিতে সক্ষম?

উত্তরঃ যে কোন প্রোডাক্ট কত বছর ব্যবহার করা যাবে তা অনেকটাই নির্ভর করে এর সঠিক ব্যবহারের উপর। আমাদের অভিজ্ঞতা এবং প্রোডাক্টের গুণগত মানের বিবেচনায় বলতে গেলে, এই আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটরটি মিনিমাম ১৫ বছর থেকে ২৫ বছর ব্যবহার করতে পাড়বেন ইনশা-আল্লাহ।

———————————————————————————–

প্রশ্নঃ আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটর ব্যবহারের ফলে বিদ্যুৎ বিল কি পরিমান আসতে পারে জানাবেন কি?

উত্তরঃ আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটর খুবই কম বিদ্যুৎ খরচ করে থাকে, প্রতিদিন ১২ ঘন্টা করে মাসে ৩০ দিন আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটর চালালে মেশিনটি আনুমানিক ১০০ টাকা থেকে ২০০ টাকার বিদ্যুৎ খরচ করতে পারে।

———————————————————————————–

প্রশ্নঃ কোন কোন দেশ আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটর বানায়?

উত্তরঃ চায়না, তুর্কি, ইউক্রেন, ইংল্যান্ড এবং ইউএসএ সহ অনেক উন্নত দেশ আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটর তৈরি করে থাকে। চায়নার তৈরি মেটাল ডিটেকটরের মূল্য তুলনামূলক কম হয়ে থাকে এবং ইউরোপ / আমেরিকার তৈরি মেটাল ডিটেকটরের মূল্য তুলনামূলক বেশি হয়ে থাকে।

———————————————————————————–

প্রশ্নঃ আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটর এর দাম কেমন?

উত্তরঃ আমরা যেহেতু এই প্রোডাক্ট দেশের বাইরে থেকে ইমপোর্ট করে নিয়ে আসি তাই বিশ্ববাজারের দাম, ভ্যাট, ট্যাক্স ইত্যাদি খরচের উপর ভিত্তি করে আমাদের একেক সময় একেক রকম দাম পড়ে। তাই বর্তমান দাম জানতে নিচের দেওয়া মোবাইল নাম্বারে দয়া করে আমাদেরকে কল করুন।

আমাদের প্রতিনিধিগণ আপনাকে লেটেস্ট প্রাইস দিয়ে দিবে।

———————————————————————————–

প্রশ্নঃ ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটর কিভাবে পাবো?

উত্তরঃ আপনার লোকেশন যদি ঢাকা হয়ে থাকে তবে আপনি সরাসরি আমাদের অফিসের ঠিকানায় চলে আসতে পারেন। অফিসে এসে আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটর সামনাসামনি দেখে, প্রোডাক্ট চেক করে সব কিছু ঠিক থাকলে ক্যাশ টাকা দিয়ে প্রোডাক্ট কিনে নিয়ে যেতে পারেন। আর আপনি যদি ঢাকার বাহিরে অবস্থান করেন এবং আমাদের অফিসে আসা যদি আপনার সম্ভব না হয় তাহলে, আপনি চাইলে কুরিয়ারের কন্ডিশনাল পেমেন্টের মাধ্যমেও আমাদের প্রোডাক্ট ডেলিভারি নিতে পারেন। সেক্ষেত্রে আপনার নাম, মোবাইল নাম্বার এবং ঠিকানার সাথে আমাদেরকে ১০০০ টাকা বিকাশে বা ব্যাংকে এ্যাডভান্স করতে হবে। এ্যাডভান্স পেমেন্ট পাওয়ার পর আমরা মেশিনটি কুরিয়ারে বুকিং করে দিব, তার পরবর্তী ১-২ দিনের মধ্যে আপনি কুরিয়ারে মাল পেয়ে যাবেন। কুরিয়ারের মাধ্যমে প্রোডাক্ট ডেলিভারি নিলে কুরিয়ারের সকল চার্জ কাস্টমারকে বহন করতে হবে।

———————————————————————————–

প্রশ্নঃ আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটর কেনার জন্য পেমেন্টের সিস্টেম কি?

উত্তরঃ আমাদের অফিসে এসে প্রোডাক্ট কিনে নিয়ে গেলে প্রোডাক্টের সম্পূর্ণ টাকা ক্যাশ পেমেন্ট করতে হবে। আর যদি কুরিয়ারের কন্ডিশনাল পেমেন্টে প্রোডাক্ট ডেলিভারি নিতে চান সেক্ষেত্রে আমাদেরকে ১০০০ টাকা বিকাশে বা ব্যাংকে এ্যাডভান্স করতে হবে এবং বাকি টাকা মাল ডেলিভারি নেওয়ার সময় কুরিয়ার পেমেন্ট করতে হবে।

———————————————————————————–

প্রশ্নঃ কুরিয়ার খরচ আনুমানিক কেমন হবে?

উত্তরঃ এটা নির্ভর করে প্রোডাক্টের সাইজের উপর, মানে কার্টোন যত বড় হবে তার উপর নির্ভর করবে কুরিয়ারের চার্জ কত হবে। সাধারনত প্রোডাক্টের সাইজ অনুযায়ী ২০০ টাকা থেকে শুরু করে ২০০০ টাকা পর্যন্ত কুরিয়ার খরচ হতে পারে।

———————————————————————————–

প্রশ্নঃ বিক্রির পর সাপোর্ট পাবো কিভাবে?

উত্তরঃ আমাদের সার্ভিস বা সাপোর্টের নাম্বারে কল দিয়ে আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটর মেশিনের সমস্যার কথা জানালেই আমরা আপনাকে সাপোর্ট দিব।আমরা সাধারণত আমাদের প্রোডাক্টের ২ বছরের ফ্রি সার্ভিস ওয়ারেন্টি দিয়ে থাকি। এই সময়ের মধ্যে প্রোডাক্টের যে কোন ধরণের সমস্যা হলে আমরা বিনা মূল্যে সার্ভিস করে দিব এবং এর পরে হলে সার্ভিস চার্জ দিতে হবে। প্রোডাক্ট সার্ভিস করতে যদি কোন পার্টস প্রয়োজন হয় তাহলে, কাস্টমার তার মূল্যে পরিশোধ করবে।

———————————————————————————–

প্রশ্নঃ ঢাকায় বা বাংলাদেশে আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটর কে বা কারা বিক্রি করে? কিভাবে তাদের সাথে মেশিনটি কেনার জন্য যোগাযোগ করতে পারি? কোন প্রোডাক্ট লিঙ্ক দিতে পারবেন কি?

উত্তরঃ আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটর নবারুন ইন্টারন্যাশনাল বিক্রি করে থাকে।

আর্চওয়ে গেট মেটাল ডিটেকটর ক্রয় করার জন্য নবারুন ইন্টারন্যাশনালের সাথে যোগাযোগ করার

মোবাইল নাম্বারঃ ০১৭১১ ৯৯৮৬২৬

ইমেইলঃ sales@nobarunbd.com

প্রোডাক্ট লিংকঃ https://www.nobarunbd.com/archway-gate-metal-detector-price-in-bangladesh

[yuzo_related]
error: Content is protected !!